
একাত্তর সালে জনপ্রত্যাশা ছিল যে পাকিস্তানের শাসকরা চলে যাক। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাক। জামায়াত এটাকে সম্মান করল না কেন? এটা একটা লেজিটিমেট কোশ্চেন। করলে ভালো হতো, করা উচিত ছিল, এ ব্যাপারে আমার কোনো দ্বিমত নাই। বুধবার নিউইয়র্কের কুইন্সের ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনা পার্টি হলে কোয়ালিশন অব বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন (কোবা) আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান একথা বলেন।
অ্যাপোলজি (ক্ষমা প্রার্থনা) আমরা মিনিমাম তিনবার দিয়েছি উল্লেখ করে জামায়াতের আমীর আরো বলেন, প্রথম বার প্রফেসর গোলাম আযম সাহেব দিয়েছেন এরপর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সাহেব দিয়েছেন এবং আমিও দিয়েছি। এই মাফ চাওয়ার পরে বলা হয়, এই ল্যাঙ্গুয়েজে (ভাষায়) চাইলে হবে না, ওই ল্যাঙ্গুয়েজে চাইতে হবে। বিনা শর্তে মাফ চাইলাম, কোনো শর্তও দিলাম না, তারপর আর বাকি থাকল কোনটা? এটা তো বুঝি না। এরপর তিনি করজোড়ে বলেন, আজ আবার বলছি,সাতচল্লিশ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী কোনো ভুল করে থাকলে তার জন্য শর্তহীনভাবে ক্ষমা চাই।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার পক্ষে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হলে সন্দেহ ও সংকট দেখা দিতে পারে। সেজন্য আমরা এমন কোন নেতিবাচক কাজ করার পক্ষে নই যেটা জাতীয় জীবনে অনিশ্চিত তৈরি করবে।
সম্প্রতি এনসিপির সাথে জামাতের বাগযুদ্ধ প্রসঙ্গে ডাক্তার শফিকুর বলেন, এনসিপি আমাদের ছোট ভাই বোন। তারা অভিমান করে আমাদের কিছু বললেও তাদের প্রতি আমাদের কঠোর হওয়া উচিত নয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে কতিপয় সেনা কর্মকর্তাদের বিচার প্রসঙ্গে বলেন, যারা দোষ করবে তাদের বিচার হওয়া উচিত। তবে সে বিচার স্বচ্ছ ও ন্যায় সঙ্গত হোক। ভিকটিম পরিবারও যেন ন্যায় বিচার পায়।
মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন জামায়াতে ইসলামী যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়কারী ড. নাকিবুর রহমান। সভায় প্রচুর সাংবাদিক ও জামায়াতে ইসলামীর অনুসারী প্রবাসীরাও উপস্থিত ছিলেন।###₹

