শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রচ্ছদUncategorizedপ্রবাসীদের জন্য এনআইডি কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হচ্ছে।---যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল।

প্রবাসীদের জন্য এনআইডি কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হচ্ছে।—যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল।

প্রবাসী বাংলাদেশী যাদের আমেরিকান পাসপোর্ট রয়েছে তাদের জন্য খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) এর কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই কার্যক্রম ইতিমধ্যে কানাডায় শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে নিউইয়র্কের কুইন্সের বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক এই তথ্য জানান। 

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা এই সময়ে বলেন, দুদিন আগে ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পরিস্কার মেসেজ দিয়ে বলেছেন, যে কোন উপায় প্রবাসীদের ভোটাধিকার  নিশ্চিত করা দরকার। এবং এই ব্যাপারে অফিশিয়ালি কাজ চলছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

আমেরিকায় পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার অগ্রগতি মূলক এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা বলেন, পৃথিবীতে মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলা দেশগুলো কোন না কোন প্রক্রিয়া অন্য দেশ থেকে পাচার করা অর্থ সে দেশে নিয়ে যাওয়ার পর সেটাকে আইনিভাবে স্বাগত জানায় এবং সুরক্ষা দেয়। তাই মিডিয়ায় পাচারকৃত অর্থে বাড়ি-গাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলেও, এখানকার আইনে দেখা যায় পাচারকৃত অর্থে গড়ে তোলা ঐইসহ সম্পদ অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। তাই ইচ্ছা করলে কোন ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। তবে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমান সরকার পাচারকৃত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে দৃশ্যমান কাজ করছে। এবং যার প্রতিফলন লন্ডনে দেখা গেছে। আমেরিকা থেকেও পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

এদিকে ট্যারিফ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলমান রয়েছে। টেষ্ট ডিপার্টমেন্টের সাথে এই স্পর্শকাতর আলোচনায় দূতাবাসকে এখন খুবই ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে বলে প্রেস মিনিস্টার উল্লেখ করেন।

গোলাম মর্তুজা আরো বলেন, বিগত সরকার আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা আইএমএফ এর সাথে আলোচনায় যেকোনো শর্তে লোন পাওয়ার অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে আইএমএফ এর আলোচনায় কখনো মনে হয়নি,আইএমএফ লোন দিতে রাজি নয়। তবে তারা শর্তের বদলে কিছু পলিসি বাস্তবায়নে কথা বলে। বর্তমান সরকার অযাচিত কোন শর্ত মানতে রাজি না হওয়ার মাধ্যমে বেশ সক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছে।

ওয়াশিংটনের প্রেস মিনিস্টার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রধানতম দুটি কাজ। প্রথম টি হল প্রবাসীদের সেবা দেওয়া এবং তাদের স্বার্থ দেখা পাশাপাশি বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে এগিয়ে নেওয়া। তাই দূতাবাসের কেউই প্রবাসীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতেই পার না। এরপরও কনসুলেট অফিসে প্রবাসীদের হয়রানি সহ কোন অভিযোগ থাকলে  কনসুলেট জেনারেলকে অবহিত করবেন। তিনি অবশ্যই এর সমাধান করবেন।

মত বিনিময় সভায় নিউইয়র্কের প্রিন্ট এবং ইলেকট্রিক মিডিয়ার বয়োজ্যেষ্ঠ সহ প্রচুর সাংবাদিক অংশ নেন।  এই সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিত ছিলেন। পরে আপ্যায়নের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শেষ হয়।

আরও পড়ুন
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ