রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদলিড"নোয়াখালীবাসীর ভদ্রতা দেখেছেন, হুংকার দেখেননি" — অপপ্রচারকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি জাহিদ মিন্টুর

“নোয়াখালীবাসীর ভদ্রতা দেখেছেন, হুংকার দেখেননি” — অপপ্রচারকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি জাহিদ মিন্টুর

“নোয়াখালীবাসীর ভদ্রতা দেখেছেন, নম্রতা দেখেছেন, কিন্তু হুংকার দেখেননি।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি জাহিদ মিন্টু। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, এই অপপ্রচারকারিদের নোয়াখালী সোসাইটিসহ সমগ্র নোয়াখালীবাসী প্রতিহত করবে।

জাহেদ মিন্টু আরও বলেন, ব্যক্তি জাহেদ মিন্টুর সাথে কারও কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা থাকলে সেই সমস্যা যেন বাংলাদেশ সেমিট্রির সাথে মিশ্রিত করা না হয়। তিনি বলেন, “আজকের এই কবরের মাটি আমি বা আপনি যে কারো হতে পারতো।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই এই অপপ্রচার থেকে বিরত থাকবেন। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশিদের আবেগের প্রজেক্ট, এবং অতীতে যা কিছু হয়েছে, তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন।

নিউইয়র্কের আপস্টেটে স্কটটাউনে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির উদ্যোগে গড়ে উঠছে প্রবাসের সবচেয়ে বড় মুসলিম কবরস্থান — ‘বাংলাদেশ সেমিট্রি’। শনিবার ২০ জুন দুপুরে এই উপলক্ষ্যে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে বাংলাদেশ সেমিট্রির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার দীর্ঘ যাত্রা এবং আগামী দিনের করণীয় নিয়েও বক্তব্য রাখেন জাহিদ মিন্টু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাইন উদ্দিন পিন্টু। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক শীর্ষ নেতৃবৃন্দ — হাজী মফিজুর রহমান, নাজমুল হাসান মানিক, খোকন মোশাররফ, হাজী আব্দুল মান্নান, মাইনুল উদ্দিন মাহবুবসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রীত কবরস্থানগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মরদেহ দাফনের মাধ্যমে কবরস্থানের উদ্বোধন করা হয়, এবং নিহতের জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাছের, সাবেক সভাপতি এম আজিজ, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য নাঈম টুটুল এবং সন্দীপ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ফিরোজ আহমেদসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, স্কটটাউনে প্রায় ১২৬ একর জমির উপর বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির ‘বাংলাদেশ সেমিট্রি’ গড়ে উঠেছে। এখানে এক লাখেরও অধিক কবর তৈরির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭০ হাজার কবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রবাসের সর্ববৃহৎ এই উদ্যোগ শুধু একটি কবরস্থান নয় — এটি প্রবাসী মুসলিম বাংলাদেশিদের শেষ ঠিকানার এক নতুন অধ্যায়, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম খুঁজে পাবে নিজস্ব মাটির স্পর্শ।##

আরও পড়ুন
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ