বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রচ্ছদUncategorized২৪ শে জুন নিউইয়র্কে ইতিহাস সৃষ্টি হবে। চার্চ ম্যাকডোনাল্ডের পথমেলায় --মেয়র...

২৪ শে জুন নিউইয়র্কে ইতিহাস সৃষ্টি হবে। চার্চ ম্যাকডোনাল্ডের পথমেলায় –মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি

২৪শে জুন আমরা নিউইয়র্কে ইতিহাস সৃষ্টি করব। এই শহর আগে কখনো মুসলিম মেয়র দেখেনি। দেখেনি সাউথ এশিয়ান মেয়র। আমরা এন্ড্রু কুমোকে  পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করবে। নিউইয়র্ক সিটি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জোহরান মামদানি রোববার ২২শে জুন ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড তথা ‘লিটল বাংলাদেশে ‘চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (সিএমবিবিএ) আয়োজিত ১৫ তম ঐতিহ্যবাহী পথ মেলার নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তিতা কালে এসব কথা বলেন।

প্রথম দক্ষিণ এশীয় ও মুসলিম মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি আরো বলেন, কয়েকদিন থেকে আমি এবং আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তারা আমি এবং আমার পরিবারকে হত্যা করতে চায় কারণ মানুষ কেন আমাকে এত ভালোবাসে।

৩৩ বছর বয়সী জোহরান মামদানি লিটল বাংলাদেশ’-এর পথমেলার আগত শত শত প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্দেশ্য বাংলা ভাষায় চিৎকার করে স্লোগান দিয়ে বলেন, “আমার মেয়র, তোমার মেয়র।” তখন শত শত প্রবাসী বাংলাদেশী চিৎকার করে উত্তর দিতে গিয়ে বলতে থাকে “মামদানি”, “মামদানি”। এভাবে কয়েকবার জোহরান মামদানি বাংলা ভাষায় স্লোগান দিলে দর্শকরাও “মামদানি”, “মামদানি” বলে জবাব দেয়। এই সময় জোহরান মামদানি স্টেজে উপস্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহানা হানিফকে দেখিয়ে তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর নির্বাচিত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

স্টেজে বাঙালি সাজে শাড়ি পরিহিত নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের নির্বাচিত প্রথম মুসলিম নারী এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইতিহাস গড়া ও বর্তমানে আবার কাউন্সিল প্রার্থী শাহানা হানিফ বলেন, বাংলা হচ্ছে আমার ভাষা। আমাদের মানুষ এই শহর চালাচ্ছে। এই শহরের শ্রমজীবী জব গুলো তারাই করছে। সিটি হলে গত চার বছর ধরে আমি শ্রমজীবী কর্মীদের অধিকার নিয়ে, স্কুল ফান্ডিং নিয়ে এবং আপনাদের সেফটি নিয়ে অনেক কাজ করেছি। শাহানা হানিফ পাশে দাঁড়ানো ড্রামের  কাজী ফৌজিয়াকে দেখিয়ে বলেন, আমার পাশে যে আপা আছেন। এরকম আরো অনেকের সহযোগিতায় আমি এতদূর এসেছি।

এদিকে ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড তথা ‘লিটল বাংলাদেশ’-এর ১৫ তম ঐতিহ্যবাহী পথমেলা শতাধিক বিভিন্ন ধরনের স্টলে জমজমাট বেচা বিক্রি অনুষ্ঠিত হয়। রোদের তীব্রতা কমে এলে দুপুরের পর থেকে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

মেলা কমিটির আহাবায়ক মামুনুর রশিদ জানান, মেলায় স্টলের চাহিদা এবং ক্রেতাদের আগ্রহে আমরা সন্তুষ্ট। প্রবাসীদের মিলনমেলায় আমরা অনুপ্রাণিত। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে পথমেলার ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রেখে আমরা এগিয়ে যাব।###

আরও পড়ুন
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ